• Screen Reader Access
  • A-AA+
  • NotificationWeb

    Title should not be more than 100 characters.


    0

Asset Publisher

অমরাবতী শহরের

অমরাবতী শহরের প্রাণকেন্দ্রে আম্বাদেবী মন্দির অবস্থিত। এই মন্দিরটি অমরাবতী জেলার প্রধান দেবতা দেবী আম্বাকে উৎসর্গ করা হয়েছে।

জেলা / অঞ্চল    
অমরাবতী জেলা, মহারাষ্ট্র, ভারত।

ইতিহাস    
আম্বাদেবীর মন্দির পুরো জেলার অন্যতম প্রাচীন একটি মন্দির। এই মন্দিরটি দেবী দুর্গার মূর্তি দেবী আম্বাকে উৎসর্গ করা হয়েছে। প্রচলিত আছে যে কৃষ্ণ রুক্মিণীকে তার সাথে পালানোর পর এই মন্দিরেই বিয়ে করেছিলেন। প্রতিটি বিবাহ বা একই সূত্রের অনুষ্ঠান উপলক্ষে, এই দেবতার কাছে প্রথমে আমন্ত্রণ জানানো হয়। মন্দিরটি অনন্য কারুশিল্প এবং স্থাপত্যের একটি উদাহরণ। তবে, বর্তমানে এটি প্লাস্টার দিয়ে আবৃত। মন্দিরের প্রধান আকর্ষন হল আম্বাদেবীর একটি বেলেপাথরের মূর্তি এবং তিনটি চাবুকের গড়গৃহে আম্বাবাই, বিষ্ণু, মহাদেব, পার্বতী এবং গণপতির মতো বিভিন্ন দেবতার বিভিন্নরকম মূর্তি রয়েছে। এখানে একই গর্ভগৃহে দেবী আম্বা, লক্ষ্মী ও নারায়ণের মূর্তি স্থাপন করা হয়েছে। মন্দিরের মন্ডপ (হল) এর পশ্চিম দেয়ালে নবগ্রহগুলি আলাদাভাবে খোদাই করা আছে, এবং নন্দী, মহাদেব এবং বিষ্ণুর দুটি ছবি খিলানের নীচে স্থাপিত রয়েছে। এই মন্দিরে নবরাত্রি হল এখানকার সবচেয়ে বেশি উদযাপিত উৎসব, এবং উৎসবের সময় প্রচুর সংখ্যক ভক্ত এখানে আসেন। তখন কীর্তন এবং প্রবচন বিতরণ করা হয়, এবং পুরাণ থেকে প্রতিটি উৎসব উপলক্ষে আবৃত্তি করা হয়।

ভৌগোলিক অবস্থান    
অমরাবতী মহারাষ্ট্রের পূর্বে অবস্থিত। এছাড়াও শহরটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৩৪০ মিটার উপরে অবস্থিত।

আবহাওয়া/জলবায়ু    
অঞ্চলটি সারা বছর বেশিরভাগ শুষ্ক থাকে এবং গ্রীষ্মকালে চরমভাবাপন্ন থাকে। গ্রীষ্মে তাপমাত্রা থাকে প্রায় ৩০-৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এখানে শীতকালে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে আসে।
এই অঞ্চলে গড় বার্ষিক বৃষ্টিপাত প্রায় ১০৬৪.১ মিমি।

এখানে যা পাবেন    
মন্দিরে ঘুরে বেড়িয়ে দিন কাটাতে পারেন। এছাড়াও, আপনি বাগান, দুর্গ এবং আরও অনেক কিছু উপভোগ করতে পারেন।

নিকটবর্তী পর্যটন স্থান    
আশেপাশে দেখার জন্য নিকটতম স্থানগুলি হল:
●    বোর নদীর বাঁধ (১১.৩ কিমি)
●    অমরাবতী দুর্গ (১২.৭ কিমি)
●    জওহর গেট দুর্গ (১২.৮ কিমি)
●    বাঁশ বাগান (১৭.৮ কিমি)
●    পঞ্চবোল পয়েন্ট (৯০ কিমি)
●    ভীমকুণ্ড-কিচকদারা (৮৪ কিমি)

কীভাবে দূরত্ব এবং প্রয়োজনীয় সময়ের সাথে রেল, বিমান, সড়কপথে (ট্রেন, ফ্লাইট, বাস) দ্বারা পর্যটন স্থানে যাবেন    
রেলপথে:- দেশের অন্যান্য প্রধান শহর থেকে ট্রেন সেবা পাওয়া যায়। অমরাবতীর রেলওয়ে স্টেশনটির নাম নিউ অমরাবতী রেলওয়ে স্টেশন। (১৭ কিমি)
বিমানপথে:- নিকটতম বিমানবন্দর হল অমরাবতী বিমানবন্দর (৩৩.৯ কিমি) 
কাছাকাছি আবাসন সুবিধা এবং হোটেল/হাসপাতাল/ডাকঘর/পুলিশ স্টেশন    

মন্দিরের কাছে বিভিন্ন ধরণের আবাসন সুবিধা রয়েছে :- 
●    নিকটতম থানা হল ওয়ালগাঁও থানা (৯.৩ কিমি) 
●    নিকটতম হাসপাতাল হল সঞ্জীবনী মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতাল (২.১ কিমি)
কাছাকাছি এমটিডিসি রিসোর্টের বিস্তারিত    নিকটতম এমটিডিসি রিসোর্ট হল 'হর্ষবর্ধন ইন, এমটিডিসি মোজারী পয়েন্ট' যা মন্দির থেকে ৮৬.১ কিলোমিটার দূরে।  

ভ্রমনের নিয়ম এবং সময়, পর্যটকদের জন্য সেরা মাস     
●    এই মন্দির দর্শন করার সেরা সময় নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাস।
●    মন্দিরটি সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত খোলা থাকে।

এলাকায় ব্যবহৃত কথ্য ভাষা    
ইংরেজি, হিন্দি, মারাঠি।