• A-AA+
  • NotificationWeb

    Title should not be more than 100 characters.


    0

WeatherBannerWeb

Asset Publisher

গঙ্গাপুর বোট ক্লাব

গঙ্গাপুর বোট ক্লাব নাসিকের গঙ্গাপুর বাঁধে, নাসিক শহরের উপকণ্ঠে অবস্থিত। বোট ক্লাবের সকল প্রকার জল ক্রীড়া এমটিডিসি দ্বারা সম্পাদিত ও পরিচালিত হয়।

জেলা/অঞ্চল

নাসিক জেলা, মহারাষ্ট্র, ভারত

ইতিহাস

গঙ্গাপুর বাঁধ এশিয়ার দীর্ঘতম মাটির বাঁধ। ১৯৬৫ সালে পাথরের পরিবর্তে মাটির কঠিন স্তর ব্যবহার করে আঁটসাঁট ভাবে এই বাঁধটির নির্মাণ করা হয়েছিল। বাঁধ তৈরির প্রধান উদ্দেশ্য হল সেচ। এই স্থানে বোট ক্লাব তৈরির ধারণাটি ২০০৯ সালে এবং ২০১৪ সালে উত্থাপন করা হয়েছিল। অবশেষে, ২০২০ সালের ২২শে ডিসেম্বর তারিখে বাঁধের পিছনের জলে নৌকা বিহার শুরু হয়। 

ভূগোল

গঙ্গাপুর বাঁধটি পাহাড় দ্বারা বেষ্টিত ও গোদাবরী নদীর উপর নির্মিত। গঙ্গাপুর বাঁধের আশেপাশে আরো কিছু বাঁধ রয়েছে যেমন - গৌতমী এবং কাশ্যাপি। এই বাঁধটি নাসিক শহরের উত্তর-পশ্চিমে ১৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। 

আবহাওয়া/জলবায়ু

এই অঞ্চলের গড় বার্ষিক তাপমাত্রা ২৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এই অঞ্চলে শীতকালে প্রচণ্ড শীত পরে এবং তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মতো কম হয়ে যায়।
গ্রীষ্মকালে সূর্যের তেজ খুব প্রখর থাকে। এই অঞ্চলে শীতকালের তুলনায় গ্রীষ্মকালে বেশি বৃষ্টিপাত হয়। গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপরে চলে যায়।
এই অঞ্চলের গড় বার্ষিক বৃষ্টিপাত প্রায় ১১৩৪ মিমি।

করনীয় 

সমস্ত বয়সের মানুষদের জন্য যেমন শিশু, প্রাপ্তবয়স্ক বা প্রবীণ নাগরিকদের জন্য বোট ক্লাবে করার মতো অনেক কিছু রয়েছে। এই জায়গাটিতে বিভিন্ন রকমের জল ক্রীড়া করানো হয় যেমন বেনানা টিউব, বাম্পার, জেট স্কিইং, ড্রাগন বোটিং এবং কায়াকিং।  
এছাড়াও, স্পিড বোটগুলোর পাশাপাশি পার্টি বার্জগুলোতে করেও হ্রদ ভ্রমণের ব্যবস্থা করা হয়।
এর পাশাপাশি বোট ক্লাব থেকে পর্যটকগণ কাছাকাছি অবস্থিত ক্যাফে থেকে স্ন্যাকস ও পানীয় সহযোগে সূর্যাস্ত উপভোগ করতে পারেন।

নিকটবর্তী পর্যটন কেন্দ্র

গঙ্গাপুর বোট ক্লাব সহ আপনি নিম্নলিখিত পর্যটন কেন্দ্রগুলি পরিদর্শনের পরিকল্পনা করতে পারেন:
● সোমেশ্বর: গঙ্গাপুর বোট ক্লাব থেকে ৮ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত একটি সুন্দর পিকনিক স্পট আপনি পরিদর্শন করতে পারেন। সেখানে আপনি গাছগাছালি দ্বারা আবৃত ও সুন্দর পরিবেশ মণ্ডিত গোদাবরী নদীর তীরে অবস্থিত ভগবান শিবের মন্দির শ্রী সোমেশ্বর পরিদর্শন করতে পারেন।
● বালাজি মন্দির এবং জলপ্রপাত: গঙ্গাপুর বাঁধ থেকে ৬ কিমি দূরত্বে অবস্থিত ভগবান বালাজির একটি সুন্দর মন্দির রয়েছে, যা দীপাবলির সময় হাজার হাজার আলোয় আলোকিত হয়। সোমেশ্বর জলপ্রপাত লাগোয়া
মন্দিরটি বর্ষাকালে এবং অন্য সময়েও পরিদর্শন করার একটি উপযুক্ত স্থান।
● সুলা দ্রাক্ষাক্ষেত্র: প্রচুর পরিমাণে আঙ্গুর এবং ওয়াইন উৎপাদনের কারণে নাসিক শহর ‘ভারতের সুরা রাজধানী’ হিসেবে পরিচিত। সুলা দ্রাক্ষাক্ষেত্রে একটি নির্দেশিত সফর নিয়ে ওয়াইন উৎপাদন প্রক্রিয়া দেখা যায়। প্রতি বছর জানুয়ারি মাসে সুলা ফেস্টের আয়োজন করা হয় এই জায়গায় যেখানে বিখ্যাত আন্তর্জাতিক মিউজিক ব্যান্ড পারফর্ম করে। এটি বোট ক্লাব থেকে ৮ কিমি দূরে অবস্থিত। 
● সোমা দ্রাক্ষাক্ষেত্র: সুলা ওয়াইনের মতো সোমা ওয়াইন হল আরেকটি ওয়াইনারি যা গঙ্গাপুর বাঁধ থেকে প্রায় ৫ কিমি দূরে অবস্থিত৷ জায়গাটিতে ভালো রেস্টুরেন্ট এবং দোকান আছে।
● ত্র্যম্বকেশ্বর মন্দির: শ্রী ত্র্যম্বকেশ্বর মন্দিরটি মহারাষ্ট্রের নাসিক থেকে প্রায় ২৮ কিমি দূরে গোদাবরী নদীর উৎস ব্রহ্মগিরি নামক পর্বতের কাছে অবস্থিত। ত্র্যম্বকেশ্বর মন্দির বারোটি জ্যোতির্লিঙ্গের মধ্যে অন্যতম একটি বিশিষ্ট ধর্মীয় স্থান।

খাবারের বিশেষত্ব এবং হোটেল

নাসিক মহারাষ্ট্রীয় খাবারের জন্য বিখ্যাত। রাস্তার খাবারের পাশাপাশি মিসেল পাও এবং বড়া পাও এর মতো পাও এখানে বিশেষ উল্লেখযোগ্য খাবার। নাসিক চিভদার জন্যেও বিখ্যাত।

হোটেল এবং কাছাকাছি থাকার সুবিধা  / হাসপাতাল / পোস্টঅফিস/পুলিশ স্টেশন

বাঁধের চারপাশে বিভিন্ন ফার্ম হাউস এবং রিসোর্ট আছে।
বোট ক্লাব থেকে ৮ থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে বেশ কয়েকটি হাসপাতাল রয়েছে।
নিকটতম পোস্ট অফিসটি বোট ক্লাব থেকে ৩ কিমি দূরে অবস্থিত।
১০ কিমি দূরত্বে আনন্দভল্লীতে নিকটতম পুলিশ স্টেশন রয়েছে।

ভ্রমণের নিয়মকানুন এবং সময়, পরিদর্শনের আদর্শ সময় ও মাস 

সব দিন সকাল ১০:০০ টা থেকে সন্ধ্যা ৬:০০ টা পর্যন্ত নৌকা যাত্রার সুবিধা পাওয়া যায়।
কায়াকিংয়ের জন্য সাঁতার জানা বাধ্যতামুলক।
লেক ক্রুজিং এবং স্পিড বোটিং-এর জন্য সর্বনিম্ন বয়স দুই বছর এবং বাকি রাইডের জন্য পাঁচ বছর।
কেউ সূর্যাস্ত উপভোগ করতে চাইলে তার জন্য সূর্যাস্ত ক্রুজ আছে সন্ধ্যা ৬ টা থেকে সন্ধ্যা ৭ টার মধ্যে।  সমস্ত নিরাপত্তা নিয়ম বাধ্যতামূলক।
পর্যটকরা সারা বছর ঘুরে আসতে পারেন, তবে সেপ্টেম্বর থেকে মার্চ মাস ভ্রমণের সেরা সময়।

এলাকায় যে যে ভাষায়় কথা বলা হয়

ইংরাজি, হিন্দি, মারাঠি